শিশুর ত্বকের যত্ন
শিশুর ত্বকের যত্ন ও আমাদের ভুল~~
✅গরমে শিশুর গায়ে গোটা, ঘামাচি ওঠা খুবই স্বাভাবিক। এগুলোর কোনো “কুইক” সমাধান নেই। একমাত্র সমাধান আপনাআপনি সেরে যাবার জন্য অপেক্ষা করা। ঘাম হলে পাতলা কাপড় পানিতে ভিজিয়ে বারবার মুছে দেয়া।
❌ঘামাচি, গোটা কিংবা লাল লাল ফুসকুড়ির ওপরে তেল, পাউডার লাগানো ভুল। কোনো স্টেরয়েড ক্রিম লাগানো আরো ক্ষতিকর। যেসব লোশন/ক্রিম তেল-বেইজড (অয়েল বেইজড) এসব লোশন মোটেও গরমের দেশের জন্য না। বাংলাদেশে সবসময় (শীতকালেও) পানি বা আকুয়া বেইজড লোশন/ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।
✅শিশুর ত্বকের যত্ন করতে হয় যাতে সেটা ভালো থাকে, মোলায়েম থাকে। যত্ন বলতে বেবি কসমেটিকস লাগানো। সেটাও খুব অল্প পরিমাণে। গোসলের পরে সারা শরীরে লোশন দিলেই হয়। গরমে সারাদিনে আর না দিলেও চলে। গোসলের পানিতে বুকের দুধ মিশিয়ে দিতে পারেন। এর চেয়ে ভালো ময়েশ্চারাইজার আর নেই।
❌শিশুর রং ফর্সা করার জন্য কিছু দিবেন না। শিশুর যখন জন্ম হয় তখন সবাই ফর্সা থাকে। এটা তার গায়ের আসল রং নয়। ধীরে ধীরে সে যখন পরিবেশের সাথে মিশতে থাকে, আলো হাওয়া গায়ে লাগে তখন তার গায়ের আসল রং বের হয়ে আসে। তাই ৮/৯ মাসের দিকে যেসব বাবা মা ভাবেন আমার শিশুর গায়ের রং কালো হয়ে গেছে কারণ “নজর লেগেছে” বা “ওর ত্বকের যত্নের অভাব হয়েছে” এটা সম্পূর্ণ ভুল। আপনি কোনো কিছু করে গায়ের রং পরিবর্তন করতে পারবেন না।
✅শিশুর সৌন্দর্যের চেয়ে সুস্থতা জরুরি। তাই জামা কাপড় পরানোর সময় “আরাম”কে গুরুত্ব দিন। সৌন্দর্য নয়। মনে রাখবেন, শিশুদের গরম বেশি লাগে এবং ওরা ঘামেও বেশি।
❌অনুষ্ঠানে, জন্মদিনে কিংবা বিয়েতে শিশুকে জমকালো পোশাক পরিয়ে বিরক্ত করবেন না। ওর আরামকে প্রাধান্য দিন।
✅শুধু শিশু নয়, বড়দেরও আসল সৌন্দর্য খাওয়া ও ঘুমের ওপরে অনেক বেশি নির্ভর করে। দামী প্রসাধনীর চেয়ে বেশি করে পানি খাওয়া, প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কলার মত ফল, সবজি, টক দই ও বাদাম রেখে দেখুন, ত্বকের পরিবর্তন টের পাবেন।
😇কপি করার সময় মনে রাখবেন পেইজের নাম “পারমিতার প্রতিদিন”
Comments
Post a Comment