Posts

শিশুর প্রথম খাবার কী হলে ভালো?

  ✅শিশুর প্রথম খাবার যেটাই হোক না কেনো, খাবারটা হতে হবে নরম এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর। খাবারটি চটকে, একদম ভর্তা করে ছাঁকুনি দিয়ে ছেঁকে নিন। এরপর প্রয়োজনমতো পানি/দুধ মিশিয়ে পাতলা করুন।  ✅বড় হওয়ার সাথে সাথে সে খাওয়া শিখতে থাকবে ( সাধারণত প্রায় ৭ মাস বা তারও বেশি বয়সে)। তখন তার খাবারে পানি/দুধের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমিয়ে দিবেন এবং খাবার ঘন করবেন।  ✅আপনি যদি চামচ দিয়ে খাওয়ান তবে শুরু করার জন্য এখানে ভালো কিছু প্রথম খাবারের তালিকা দেয়া হলো-  👉সিরিয়াল : আয়রন সমৃদ্ধ শস্যদানা দিয়ে সিরিয়াল তৈরি করে দিতে পারেন যেমন: ওটস, বাদামি চাল বা বা বার্লি নিতে পারেন। এগুলোর যে কোনটির সাথে মায়ের বুকের দুধ বা ফর্মুলা দুধ বা পানি মিশিয়ে ক্রিমের মতো ঘন করে নিবেন।  ❌প্রথমেই চটকানো কলা, আপেল বা জুসের মতো জিনিসগুলি যোগ করে শিশুর খাবারের স্বাদকে মিষ্টি করবেন না। কারণ শুরুতে শুধু একটি খাবারের সাথে পরিচয় করানো ভালো। আর শুরুতেই  শিশুকে  মিষ্টি স্বাদের খাবার না চেনানোই ভালো।  👉শাকসবজি: শিশুকে শুরুতে মিষ্টি কুমড়া বা গাজরের মতো হালকা হলুদ বা কমলা রঙের সবজি দিয়ে সলিড শুরু...

শিশুর ত্বকের যত্ন

 শিশুর ত্বকের যত্ন ও আমাদের ভুল~~ ✅গরমে শিশুর গায়ে গোটা, ঘামাচি ওঠা খুবই স্বাভাবিক। এগুলোর কোনো “কুইক” সমাধান নেই। একমাত্র সমাধান আপনাআপনি সেরে যাবার জন্য অপেক্ষা করা। ঘাম হলে পাতলা কাপড় পানিতে ভিজিয়ে বারবার মুছে দেয়া।  ❌ঘামাচি, গোটা কিংবা লাল লাল ফুসকুড়ির ওপরে তেল, পাউডার লাগানো ভুল। কোনো স্টেরয়েড ক্রিম লাগানো আরো ক্ষতিকর। যেসব লোশন/ক্রিম তেল-বেইজড (অয়েল বেইজড) এসব লোশন মোটেও গরমের দেশের জন্য না। বাংলাদেশে সবসময় (শীতকালেও) পানি বা আকুয়া বেইজড লোশন/ক্রিম ব্যবহার করতে হবে।  ✅শিশুর ত্বকের যত্ন করতে হয় যাতে সেটা ভালো থাকে, মোলায়েম থাকে। যত্ন বলতে বেবি কসমেটিকস লাগানো। সেটাও খুব অল্প পরিমাণে। গোসলের পরে সারা শরীরে লোশন দিলেই হয়। গরমে সারাদিনে আর না দিলেও চলে। গোসলের পানিতে বুকের দুধ মিশিয়ে দিতে পারেন। এর চেয়ে ভালো ময়েশ্চারাইজার আর নেই।  ❌শিশুর রং ফর্সা করার জন্য কিছু দিবেন না। শিশুর যখন জন্ম হয় তখন সবাই ফর্সা থাকে। এটা তার গায়ের আসল রং নয়। ধীরে ধীরে সে যখন পরিবেশের সাথে মিশতে থাকে, আলো হাওয়া গায়ে লাগে তখন তার গায়ের আসল রং বের হয়ে আসে। তাই ৮/৯ মাসের দিকে যেসব বাবা মা ভা...